Tuesday, October 4, 2022
spot_imgspot_img

আফ্রিকার পর এখন বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকায় বিস্তৃত হচ্ছে স্টার লিংক (Star Link) ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক। আফ্রিকার মোজাম্বিক ও নাইজেরিয়া স্পেসএক্সের স্টারলিং অনুমোদন করেছে। প্রথমবারের মতো ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের বাইরে লাখো মানুষ আসবে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক এর আওতায়।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকায় বিস্তৃত হচ্ছে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক। স্পেসএক্স প্রধান ইলন মাস্ক একাধিক টুইটে এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। ইলন মাস্ক জানান আফ্রিকার মোজাম্বিক, ও নাইজেরিয়া স্পেসএক্সের স্টারলিংক (Star Link) এর অনুমোদন করেছে ।

এছাড়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বিস্তৃত হচ্ছে স্টারলিং পরিষেবা। অঞ্চলটির প্রথম দেশ হিসেবে স্টারলিং ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি গ্রহণের কথা জানিয়েছে ফিলিপাইন।

আফ্রিকা এক্সপ্রেস ইন্টারনেট পরিষেবা স্ট্যান্ডিং চালু নিয়ে ২০২১ সাল থেকেই চেষ্টা শুরু হয় শুরুতে স্পেসএক্স প্রতিনিধিরা স্টালিনকে লাইসেন্সের জন্য নাইজেরিয়ান কমিউনিকেশনস কমিশনের সঙ্গে আলোচনা চালায়।

সম্প্রতি ইন্টারনেট সার্ভিস নাইজেরিয়া লিমিটেডের লাইসেন্স অনুমোদন করে। এনসিসি ২০২২ সালের মে মাসে অনুমোদন হওয়ায় লাইসেন্সের মেয়াদ থাকবে পরবর্তী ১০ বছর। বিশ্বের ৩২ টি দেশে অনুমোদিত ও লাইসেন্স সহ কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে স্টারলিং। তাদের ম্যাপ অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকা, লাতিন আমেরিকার ব্রাজিল ও চিলি, ইউরোপের অধিকাংশ দেশ এবং অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ওই ৩২ দেশের তালিকায় রয়েছে। আফ্রিকায় স্টার লিঙ্ক (Star Link) চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে সেখানকার স্থানীয় প্রতিষ্ঠিত টেলিকম কোম্পানি এমটিএন ও এয়ারটেল।

তবে শুরুর দিকে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানি গুলোর থেকে বেশিই ব্যয়বহুল হবে স্টারলিংক (Star Link)। স্টারলিংক এর প্রি-অর্ডারের জন্য ১১০ ডলার (Ethernet) ও ফুল কিটের জন্য ৫৯৯ ডলার ব্যয় করতে হবে গ্রাহকদের।

ফুল কিটের মধ্যে রয়েছে একটি টার্মিনাল, মাউন্টাবল ট্রাইপড ও ওয়াইফাই রাউটার। শুরুতে বড় অংকের ব্যয় হলেও, দ্রুতগতির ইন্টারনেট এর নিশ্চয়তা দিচ্ছে স্টারলিংক। গ্রাহকরা ১০০ থেকে ২০০ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট পাবেন বলে আশা করছেন তারা।

এদিকে ইন্টারনেট গতির দিক দিয়ে এশিয়ার পেছনের সারির প্রথম দিকেই রয়েছে ফিলিপাইন তা কয়েক বছর ধরেই। ২০২১ সালে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের স্পিড এর দিক দিয়ে বিশ্বের মধ্যে ফিলিপাইনের অবস্থান ৮৯ তম। গত কয়েক মাসে দেশটিতে গ্রাহকরা গড়ে ৪০.৪৪ এমবিপিএস গতির ইন্টারনেট পাচ্ছেন।


পুরোদমে কার্যক্রম যদি শুরু হয়ে তাহলে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, স্টারলিকের পরিষেবা গ্রহণকারী প্রথম দেশ হবে ফিলিপাইন। দেশের শহর, উপশহর ও গ্রাম এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা ছড়াবে বলে আশা রাখছেন সংশ্লিষ্টরা। সম্প্রতি শেয়ার করা, স্টারলিংক এর কভারেজ মানচিত্রে দেখা যাচ্ছে ২০২৩ সালের মধ্যে পুরো আফ্রিকা সেবার আওতায় আনতে চাইছে তারা। এইদিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ ইউক্রেন এ স্টারলিংক ব্যবহারকারীর সংখ্যা লক্ষ্যণীয়ভাবে বাড়ছে। সর্বশেষ খবরে দেখা গেছে দেশটিতে বর্তমানে স্টারলিং ব্যবহারকারীর সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়েছে।

তবে বাংলাদেশে স্টারলিংক আসছে কবে?

বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কমিশনের (বিটিআরসি) ভাইস চেয়ারম্যান, সুব্রত রায় মৈত্র বলেন, স্টারলিংক এখনও বিটিআরসিতে পৌঁছায়নি। তারা বাংলাদেশে আসতে চায়। স্টারলিংক বাংলাদেশে আসতে চাইলে তাদের সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয় গুলো মেনে আসতে হবে।

গত বছর স্টারলিংক বাংলাদেশে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছিল বলে জানান বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, বিষয়টি বিটিআরসিকে জানানো হয়েছে। তবে বিআরটিসি তাতে রাজি হয়নি।

সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, তিনি তার অফিসের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন যে স্টারলিংক, আবারও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বিষয়টি আবারো বিটিআরসিকে জানাবে বিটিআরসির অনুমোদন পাওয়া মাত্রই স্টারলিংক দেশে ব্যবসা করতে পারবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আমাদের ফলো করুন

2,258FansLike
1,069FollowersFollow
1,569FollowersFollow
- Advertisement -spot_img

আরোও পড়ুন