Tuesday, October 4, 2022
spot_imgspot_img

পুরুষ সেজে চাচিকে বিয়ে করলো রাজশাহীর তরুনী, তারপর…

সম্প্রীতি জানা গিয়েছে, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার ২২ বছরের এক তরুনী পুরুষ সেজে নিজের নাম রাখেন ফাহিম। এরপরে গড়ে তুলেন দূর সম্পর্কের চাচীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক। অতঃপর তারা ঢাকায় পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন।

বিষয়টি গতকাল সকালে প্রকাশ্যে এসেছে-

স্থানীয় লোকজন এবং পুলিশের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পুরুষ দাবী করা সেই তরুনীর সাত মাস আগে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে এবং তার একটি মেয়ে সন্তান ও রয়েছে যার বয়স জানা গেছে দেড় বছর। এভাবে চলতে থাকলে তিনি নিজের মধ্যে পরিবর্তন আনার চেষ্টা করে হটাত করেই।

নিজেকে পুরুষ মনে করতে শুরু করেন। এছাড়াও পুরুষদের জামাকাপড় শার্ট-প্যান্ট থেকে শুরু করে আন্ডার ওয়্যার পর্‍্যন্ত পড়তে ধরেন বলে জানা গেছে। চুল ও ছেলেদের মত কেটে ছোট করে ফেলেন। এরপর সেই দূর সম্পর্কের চাচির সাথে লিপ্ত হন প্রেমের সম্পর্কে। জানা গেছে তার চাচির বয়স ছিলো ১৯ বছর। প্রেমের টানে মেয়েটির চাচি নিজের স্বামীর সাথে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটায়। চাচির কোনো সন্তান ছিলোনা বলে উল্লেখ করেছে এলাকার লোকজন।

এরপর গত ১০ দিন আগে কথিত সেই ফাহিম তার চাচিকে নিয়ে ঢাকায় পালিয়ে আসে এবং সেখানে তারা বিয়ে করেন। এরপর দু’জনে মিলে ঢাকায় এক আত্নীয়র বাসায় বসবাস শুরু করেন। এ নিয়ে কথিত ফাহিমের পরিবার থেকে থানায় জিডি করা হয় আর ফাহিমের চাচির পরিবার দুজনকে কৌশলে তাদের বাড়িতে আনার চেষ্টা করে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে কথিত ফাহিম দূর সম্পর্কের ওই চাচিকে নিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। এই খবর জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নিজেকে পুরুষ মনে করা ফাহিম আসলেই পুরুষ হয়েছে কিনা তা নিয়ে সবার মনে রয়েছে সন্দেহ। স্থানীয়রা ফাহিমকে জেরা করলে ফাহিম জানায় সে পুরুষে রুপান্তর হয়নি। এরপর সবার কাছে বিষয়টি খোলাসা হয়েযায়। কথিত ফাহিম শিকার করে তিনি আসলে ডিলডো নামের নকল গোপনাঙ্গ ব্যাবহার করেন।

গত শুক্রবার পুলিশ তাদের দুজনকেই জিজ্ঞেসাবাদের জন্য থানায় নেয়। তারা বিয়ে করেছে বলে দাবি করতে থাকে কিন্তু তারা বিয়ের কাগজ-পত্র দেখাতে পারেননি। তাদের মধ্যে দৈহিক সম্পর্ক হলেও ফাহিম যে নকল পুরুষ সেজেছিলেন তা টেরও পাননি ফাহিমের দূর সম্পর্কের চাচি। তবে কথিত ফাহিম বিরুদ্ধে তার কোনো অভিযোগ নেই।

গোদাগারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, ‘এটা আজব এক ঘটনা। এরা কি বলে না বলে, কিছুই ঠিক নেই। এদের এই সম্পর্ক কোনো আইনের মধ্যেও পড়েনা। তাই জিডির ভিক্তিতে ফাহিম নাম ধারন করা সেই মেয়েটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনগত কার্যকলাপ শেষে অন্য মেয়েটিকেও পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আমাদের ফলো করুন

2,258FansLike
1,069FollowersFollow
1,569FollowersFollow
- Advertisement -spot_img

আরোও পড়ুন